meloopbd Logo
    • 高级搜索
  • 来宾
    • 登录
    • 登记
    • 夜间模式
BANK information Cover Image
User Image
拖动以重新放置封面
BANK information Profile Picture
BANK information
  • 时间线
  • 团体
  • 喜欢
  • 下列的
  • 追随者
  • 相片
  • 视频
BANK information profile picture
BANK information
7 在

ইয়াসিন: স্যার, খবরের কাগজে প্রায়ই দেখি ভেলোসিটি অফ মানি কমছে বা “ভেলোসিটি বেড়েছে।” আসলে এই ভেলোসিটি অফ মানি জিনিসটা কী?

হায়াতুনবী: খুব ভালো প্রশ্ন। সহজ করে বললে, ভেলোসিটি অফ মানি মানে হলো—একটা দেশে টাকা কত দ্রুত এক জনের হাত থেকে আরেক জনের হাতে যাচ্ছে।

ইয়াসিন: মানে মানুষ কতবার টাকা খরচ করছে—এই বিষয়টা?

হায়াতুনবী: ঠিক তাই। ধরো, তুমি আজ বাজার করলে, দোকানদার সেই টাকা দিয়ে পাইকারকে দিল, পাইকার শ্রমিককে মজুরি দিল—একই টাকা কিন্তু কয়েকবার ঘুরে গেল। এই ঘোরার গতিটাই হলো ভেলোসিটি অফ মানি।

ইয়াসিন: তাহলে ভেলোসিটি বেশি হলে কি ধরে নিতে হবে অর্থনীতি ভালো?

হায়াতুনবী:সাধারণভাবে হ্যাঁ। ভেলোসিটি বেশি মানে মানুষ খরচ করছে, ব্যবসা চলছে, অর্থনীতি সচল। আর মানুষ যদি ভয় পেয়ে টাকা জমিয়ে রাখে, খরচ কমায়—তখন ভেলোসিটি কমে যায়।

ইয়াসিন: এই ভেলোসিটি কীভাবে হিসাব করা হয়?

হায়াতুনবী: খুব সহজ একটা ফরমুলা আছে।
ভেলোসিটি অফ মানি = জিডিপি ÷ মানি সাপ্লাই

ইয়াসিন: জিডিপি তো জানি—দেশে এক বছরে যত পণ্য ও সেবা বিক্রি হয় তার মোট দাম। আর মানি সাপ্লাই মানে মোট কত টাকা বাজারে আছে।

হায়াতুনবী: একদম ঠিক ধরেছ।

ইয়াসিন: কোনো সহজ উদাহরণ দিলে ভালো বুঝতাম।

হায়াতুনবী: ধরো, একটা ছোট অর্থনীতিতে মোট টাকা আছে ২০০ টাকা।এই ২০০ টাকা দিয়ে এক বছরে মোট ৪০০ টাকার কেনাবেচা হয়েছে। তাহলে ভেলোসিটি হবে ৪০০ ভাগ ২০০—মানে ২। অর্থাৎ, প্রতিটি টাকা গড়ে দুইবার হাতবদল হয়েছে।

ইয়াসিন: ভেলোসিটি যত বেশি, তত ভালো—এমনটাই ধরে নেওয়া যায়?

হায়াতুনবী: সব সময় না। অনেক সময় জিনিসপত্রের দাম খুব বেড়ে গেলে মানুষ বাধ্য হয়ে দ্রুত টাকা খরচ করে। তখনও ভেলোসিটি বেড়ে যায়। কিন্তু উচ্চ মূল্যস্ফীতি তো অর্থনীতির জন্য ভালো না।

ইয়াসিন: তাই বুঝি একে একা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না?

হায়াতুনবী: ঠিক সেটাই। ভেলোসিটি অফ মানি আসলে একটা সহায়ক সূচক। জিডিপি, বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি—এসবের সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়।

ইয়াসিন: ভেলোসিটির উপর আর কী কী বিষয় প্রভাব ফেলে?

হায়াতুনবী:অনেক কিছু। যেমন—
বাজারে টাকা বেশি ছাড়লে
মানুষ সঞ্চয়ের চেয়ে খরচে আগ্রহী হলে
মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল পেমেন্ট সহজ হলে
সহজে ঋণ পাওয়া গেলে
এসব ক্ষেত্রে ভেলোসিটি বাড়ে।

ইয়াসিন: তাহলে বাংলাদেশের মতো দেশে ভেলোসিটি কেমন হওয়ার কথা?

হায়াতুনবী: বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ভেলোসিটি অফ মানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে সেটাকে সব সময় নজরে রাখতে হয়, যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ইয়াসিন: বুঝতে পারলাম স্যার। ভেলোসিটি অফ মানি মানে শুধু টাকা নয়—মানুষের আস্থা আর খরচের ছবিটাও দেখায়।

হায়াতুনবী (হেসে): ঠিক সেটাই। টাকা যত বেশি কাজ করবে, অর্থনীতিও তত বেশি চলবে।

শেষ কথাঃ ভেলোসিটি অফ মানি আমাদের জানায়—দেশের টাকা বসে আছে, নাকি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তবে অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র বুঝতে হলে এই সূচকের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানও বিবেচনায় নিতে হয়।

#velocityofmoney #ভেলোসিটি_অফ_মানি #moneycirculation #অর্থের_গতি #economicliteracy #অর্থনৈতিক_জ্ঞান #bangladesheconomy #বাংলাদেশের_অর্থনীতি #ruraleconomy #গ্রামীণ_অর্থনীতি #financialawareness #আর্থিক_সচেতনতা_

喜欢
评论
分享
BANK information profile picture
BANK information
7 在

রাশেদ (জুনিয়র অফিসার): নয়ন ভাই, এখন গ্রামে এসে মানুষ বেশি জানতে চাচ্ছে—চেক ডিজঅনার হলে আসলে কী হয়? আগের মতো কি সরাসরি মামলা আর জেল?

নয়ন (সিনিয়র অফিসার): না রাশেদ, এখন নিয়ম বদলেছে। ২০২৫ সাল থেকে চেক ডিজঅনার মামলায় নতুন কিছু বিষয় যোগ হয়েছে। শুধু চেক বাউন্স হলেই আর শাস্তি হবে না।

রাশেদ: তাহলে চেক ডিজঅনার মানে কী? সাধারণ মানুষ তো বলে—চেকে টাকা নেই, তাই বাউন্স।

নয়ন: সেটাই মূল কথা। ধরো, কেউ আরেকজনকে টাকা পরিশোধের জন্য চেক দিল। কিন্তু ব্যাংকে জমা দিলে দেখা গেল একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা নেই, কিংবা স্বাক্ষর মিলছে না—তখন ব্যাংক চেক ফেরত দেয়। এটাকেই চেক ডিজঅনার বলে।

রাশেদ: নয়ন ভাই, নতুন নিয়মটা একটু সহজ করে বলেন।

নয়ন: শোনো, এখন আদালত প্রথমেই দেখবে— চেক দেওয়ার পেছনে আসলেই কোনো বৈধ লেনদেন ছিল কি না। মানে, টাকা ধার দেওয়া, পণ্য কেনাবেচা বা কোনো চুক্তির প্রমাণ থাকতে হবে।

রাশেদ:প্রমাণ না থাকলে?

নয়ন: তাহলে চেক বাউন্স হলেও মামলা টিকবে না। চেক ইস্যুকারীর কোনো শাস্তিও হবে না।

রাশেদ: মানে আগে যেমন হতো—চেক দিলেই ধরা—এখন আর তা নয়?

নয়ন: ঠিক তাই। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী এখন চুক্তিপত্র, রসিদ, লিখিত প্রমাণ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

রাশেদ: আচ্ছা নয়ন ভাই, কেউ যদি মামলা করতেই চায়—তাহলে কীভাবে করবে?

নয়ন: ধাপে ধাপে বলি—

প্রথম ধাপ: চেক ব্যাংকে জমা দিতে হবে। চেক বাউন্স হলে ব্যাংক থেকে নিতে হবে চেক ডিজঅনার সার্টিফিকেট।

দ্বিতীয় ধাপ:১৫ দিনের মধ্যে চেক প্রদানকারীকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে হবে। রেজিস্ট্রি ডাক বা উকিলের মাধ্যমে।

রাশেদ: নোটিশে কী থাকবে?

নয়ন: চেক নম্বর, টাকার পরিমাণ, কেন বাউন্স হয়েছে আর নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশোধের দাবি।

তৃতীয় ধাপ: নোটিশের পরও টাকা না দিলে ৬ মাসের মধ্যে আদালতে মামলা।

রাশেদ: গ্রামে তো অনেকেই ভুলে চেক লেখে সেগুলোও বাউন্স হয়?

নয়ন: অবশ্যই। যেমন—একাউন্টে টাকা না থাকা,
স্বাক্ষর না মেলা,লেখায় কাটাকাটি, অংক আর কথায় টাকার অমিল, চেকের মেয়াদ শেষ, ভিজে যাওয়া চেক
এইসব কারণেই চেক ডিজঅনার হয়।

রাশেদ: নয়ন ভাই, শাস্তির ভয়টা মানুষ বেশি জানতে চায়।

নয়ন: যদি আদালতে প্রমাণ হয় যে চেকটি বৈধ লেনদেনের জন্য দেওয়া হয়েছিল, তাহলে এনআই অ্যাক্ট ১৩৮ ধারায় শাস্তি—কমপক্ষে ১ বছর কারাদণ্ড, অথবা চেকের টাকার সর্বোচ্চ ৩ গুণ জরিমানা অথবা দুটোই একসাথে।

রাশেদ: আর প্রমাণ না থাকলে?

নয়ন: তাহলে মামলা খারিজ। কোনো শাস্তি নয়।

রাশেদ: ধরা যাক রায় পছন্দ হলো না—তখন?

নয়ন:নিম্ন আদালতের রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা যায়। আর হাইকোর্টে যেতে চাইলে ৬০ দিনের সময় আছে। তবে জরিমানার অর্ধেক টাকা জমা দিতে হয়।

রাশেদ: নয়ন ভাই, গ্রামবাসীর জন্য আপনার শেষ পরামর্শ কী?

নয়ন: খুব সহজ কথা— চেক দেওয়ার আগে একাউন্টে টাকা আছে কি না দেখুন। আর লেনদেন করলে লিখিত চুক্তি বা প্রমাণ রাখুন। এতে চেক গ্রহণকারী যেমন নিরাপদ থাকবে, তেমনি চেক প্রদানকারীরও ঝামেলা কমবে।

রাশেদ:ঠিক বলেছেন ভাই। সচেতন হলেই বিপদ কমে।

তথ্যসূত্র:
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ২০২২
হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায় ও প্রযোজ্য বিধান

#চেকডিজঅনার #চেকবাউন্স #নতুনআইন২০২৫ #ব্যাংকআইন #আইনজানুন #গ্রামীণসচেতনতা #checkdishonour #chequebounce #newlaw2025 #bankinglaw #legalawareness #bangladeshlaw

喜欢
评论
分享
BANK information profile picture
BANK information
7 在

একটি জেলা শহরের ব্যাংক শাখা। অফিস শেষের পর চায়ের টেবিলে বসেছেন দুই ব্যাংকার—বেলাল সাহেব (সিনিয়র ম্যানেজার) ও ইয়াসিন সাহেব (অপারেশন অফিসার)। মানি লন্ডারিং নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত এক খবর নিয়ে তাঁদের আলাপ।

ইয়াসিন: ভাই, আজ পত্রিকায় দেখলাম এক ব্যাংকের সাবেক এমডির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ। কিন্তু মানুষ তো ভাবে—এটা শুধু টাকা বিদেশে পাঠালেই হয়!

বেলাল: এটাই বড় ভুল ধারণা। মানি লন্ডারিং মানে শুধু টাকা বিদেশে পাঠানো নয়। সহজ করে বলি— যে টাকার উৎস অবৈধ, সেই টাকা যদি নানা কৌশলে বৈধ বলে দেখানো হয়, সেটাই মানি লন্ডারিং। ধরো, কেউ ঘুষ, চোরাচালান বা জালিয়াতি করে টাকা আয় করল। তারপর সেই টাকা দিয়ে জমি-ফ্ল্যাট কিনল, ব্যবসা খুলল—বাইরে থেকে সবই বৈধ দেখায়। কিন্তু টাকার উৎস তো অবৈধ! তাই সেটা মানি লন্ডারিং।

ইয়াসিন: কিন্তু ভাই, যদি ব্যাংকের মাধ্যমেই লেনদেন হয়? তখন তো সব নিয়ম মেনেই হচ্ছে!

বেলাল: না, ব্যাপারটা উল্টো। অবৈধ টাকা যদি বৈধ পথেও ঘোরানো হয়—তবুও সেটা অপরাধ। আবার বৈধ টাকা যদি ভুল বা অবৈধ উপায়ে স্থানান্তর হয়—সব সময় তা মানি লন্ডারিং হয় না। মূল কথা হলো—টাকার উৎস বৈধ কি না, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ইয়াসিন: অনেকে বলে—মানি লন্ডারিং শুধু ব্যাংকের মাধ্যমেই হয়।

বেলাল: না, এটা ব্যাংকের বাইরেও হতে পারে—হুন্ডি, ভুয়া ব্যবসা, ফেক ইনভয়েস ইত্যাদির মাধ্যমে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাকা কোথায় আসে? ব্যাংকেই। আর একবার ব্যাংকে ঢুকে গেলে—ব্যাংককেই জবাবদিহি করতে হয়। তাই ব্যাংকারদের সব সময় সতর্ক থাকতে হয়।

ইয়াসিন: আমরা তো গ্রাহকের কাছ থেকে কেওয়াইসি নিই। কিন্তু গ্রামের মানুষ বোঝে না—কেন এত কাগজ লাগে!

বেলাল: ঠিক বলেছ। সহজ করে বলি— KYC (Know Your Customer / গ্রাহককে জানো):
গ্রাহক কে, কী করেন, আয়ের উৎস কী—এসব তথ্য নেওয়া। Customer Activity Profile: গ্রাহক মাসে কত টাকা লেনদেন করবেন—তার একটা ধারণা রাখা।
CTR (Cash Transaction Report): বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন হলে রিপোর্ট করা। STR (Suspicious Transaction Report): সন্দেহজনক লেনদেন হলে রিপোর্ট করা। এসব নিয়ম কাগজে আছে, কিন্তু অনেক সময় বাস্তবে ঠিকভাবে মানা হয় না।

ইয়াসিন: তাহলে এত নিয়ম থাকার পরও অপরাধ হয় কীভাবে?

বেলাল: কয়েকটা বড় কারণ আছে— অনেক সময় নিয়ম শুধু কাগজে থাকে, বাস্তবে প্রয়োগ হয় না।
প্রযুক্তির ব্যবহার কম—ম্যানুয়ালি করলে ফাঁকি দেওয়া সহজ। প্রভাবশালী ব্যক্তির চাপ—চেয়ারম্যান বা এমডির নির্দেশে অনেক কিছু হয়ে যায়। কিছু ব্যাংকার নিজের স্বার্থে সহযোগিতা করে। এই কারণেই মানি লন্ডারিং, ভুয়া ঋণ, খেলাপি ঋণ—সবই বাড়ে।

ইয়াসিন: উন্নত দেশে কি এসব হয় না?

বেলাল: হয়, কিন্তু অনেক কম। যেমন—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা ইউরোপের দেশগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি খুব শক্ত। সব রিপোর্টিং সিস্টেম ডিজিটাল। কম্পিউটার নিজেই সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত করে।
তাই কোনো এমডি বা চেয়ারম্যান চাইলেও সহজে ফাঁকি দেওয়া যায় না।

ইয়াসিন: তাহলে আমাদের দেশে সমস্যা কেন থেকে যাচ্ছে?

বেলাল: আমাদের দেশে আইন আছে, কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর বাস্তবায়ন কম। ফলে— বিদেশি ব্যাংক আমাদের সঙ্গে লেনদেনে দ্বিধায় থাকে। এলসি (LC) অ্যাডভাইস বা কনফার্ম করতে চায় না। আমদানিকারকরা সমস্যায় পড়ে।

ইয়াসিন: তাহলে উপায় কী?

বেলাল: কয়েকটা বিষয় জরুরি— আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন। সব রিপোর্টিং পুরোপুরি ডিজিটাল করা।
ব্যাংকারদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ। প্রভাবমুক্ত পেশাদার ব্যাংকিং নিশ্চিত করা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর তদারকি।

চায়ের কাপ শেষ করে ইয়াসিন সাহেব বললেন—“ব্যাংকিং শুধু লেনদেনের ব্যবসা নয়, এটা বিশ্বাসের ব্যবসা। যদি বিশ্বাস নষ্ট হয়, তাহলে পুরো অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

বেলাল সাহেব মাথা নেড়ে বললেন— “তাহলে আমাদেরই আগে সতর্ক হতে হবে।” মানি লন্ডারিং রোধ শুধু আইন দিয়ে নয়—সততা, প্রযুক্তি ও জবাবদিহিতার সমন্বয়ে সম্ভব। আর তা নিশ্চিত করতে না পারলে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

#moneylaundering #মানি_লন্ডারিং #blackmoney #কালো_টাকা #bankingsector #ব্যাংকিং_খাত #financialcrime #আর্থিক_অপরাধ #aml #kyc #transparency #স্বচ্ছতা #digitalbanking #ডিজিটাল_ব্যাংকিং

喜欢
评论
分享
BANK information profile picture
BANK information
7 在

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—অর্থ কি ঠিক সময়ে পাওয়া যাবে? এই দুশ্চিন্তা দূর করতেই ব্যবহৃত হয় ব্যাংকারের একসেপ্টেন্স (Banker’s Acceptance বা BA)। এটি এমন একটি আর্থিক দলিল, যেখানে একটি ব্যাংক নির্দিষ্ট সময় পরে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পরিশোধ করার লিখিত নিশ্চয়তা দেয়। অর্থাৎ, ক্রেতা টাকা না দিলেও নির্ধারিত সময়ে ব্যাংক টাকা দেবে—এই ভরসাই হলো ব্যাংকারের একসেপ্টেন্স।

ব্যাংকারের একসেপ্টেন্স মূলত একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange), যা ক্রেতা ইস্যু করে এবং ব্যাংক সেটি গ্রহণ (Accept) করে। ব্যাংক যখন “Accepted” লিখে স্বাক্ষর করে, তখন দলিলটি ব্যাংকের দায়ে পরিণত হয়। নির্ধারিত সময় সাধারণত ৩০, ৬০, ৯০ বা ১৮০ দিন হয়ে থাকে।

একটি সহজ উদাহরণ: ধরা যাক—চট্টগ্রামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চীন থেকে গার্মেন্টস মেশিন কিনছে।চীনের রপ্তানিকারক পণ্য পাঠানোর আগে নিশ্চয়তা চায় যে টাকা ঠিক সময়ে পাবে।

তখন কী হয়?
১️⃣ আমদানিকারক তার ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ ইস্যু করে।
২️⃣ ব্যাংক সেই বিলটি “Accepted” করে স্বাক্ষর দেয়।
৩️⃣ এতে লেখা থাকে—৯০ দিন পর ৫০,০০০ ডলার পরিশোধ করা হবে।
৪️⃣ এখন রপ্তানিকারক নিশ্চিত—৯০ দিন পর টাকা ব্যাংকই দেবে।

📌 যদি রপ্তানিকারক তাড়াতাড়ি টাকা চান, তবে তিনি এই দলিলটি অন্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে ডিসকাউন্ট করে আগেই নগদ টাকা পেতে পারেন।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
✔ ব্যাংকের নিশ্চয়তা – ক্রেতার বদলে ব্যাংক দায় নেয়
✔ ঝুঁকি কমায় – আন্তর্জাতিক লেনদেনে নিরাপত্তা বাড়ায়
✔ তারল্য সুবিধা – বাজারে বিক্রি বা ট্রেড করা যায়
✔ স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন – ব্যবসায়ীদের ক্যাশ ফ্লো ম্যানেজ করতে সহায়তা করে

বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ: ব্যাংকারের একসেপ্টেন্স অনেক সময় মানি মার্কেট ইন্সট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কারণ এটি ব্যাংক-নিশ্চিত দলিল হওয়ায় তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।

কোথায় বেশি ব্যবহৃত হয়?
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে, বড় অঙ্কের ট্রেড ফাইন্যান্সিংয়ে, লেটার অব ক্রেডিট (LC)-এর অংশ হিসেবে, স্বল্পমেয়াদি আন্তর্জাতিক লেনদেনে।

একটি বাস্তবচিত্র: ধরা যাক, একজন রপ্তানিকারক ১ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করলেন।তিনি ৯০ দিন অপেক্ষা করতে চান না।তখন ব্যাংকারের একসেপ্টেন্স দলিলটি ৯৭ লাখ টাকায় ডিসকাউন্ট করে নগদ নিয়ে নিলেন।৯০ দিন পরে ক্রেতার ব্যাংক পূর্ণ ১ কোটি টাকা পরিশোধ করবে।

এভাবে—
🔹 রপ্তানিকারক দ্রুত নগদ পেলেন
🔹 আমদানিকারক সময় পেলেন
🔹 ব্যাংক কমিশন আয় করলো

সব পক্ষই লাভবান হলো।

কিছু সীমাবদ্ধতা: ব্যাংক চার্জ ও কমিশন দিতে হয়, দুর্বল ব্যাংকের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়তে পারে, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংকটে মূল্য কমতে পারে

ব্যাংকারের একসেপ্টেন্স আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আস্থার প্রতীক।এটি ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি করে, ঝুঁকি কমায় এবং আর্থিক লেনদেনকে সহজ ও নিরাপদ করে তোলে। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে নিরাপদ ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যবস্থায় ব্যাংকারের একসেপ্টেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

#bankersacceptance #tradefinance #internationaltrade #moneymarket #billofexchange #lc #importexport #shorttermfinance #ব্যাংকারের_একসেপ্টেন্স #ট্রেড_ফাইন্যান্স #আন্তর্জাতিক_বাণিজ্য #মানি_মার্কেট #বিল_অব_এক্সচেঞ্জ #এলসি #আমদানি_রপ্তানি #স্বল্পমেয়াদি_অর্থায়ন

喜欢
评论
分享
 加载更多帖子
    信息
  • 4 帖子

  • 男性
    相册 
    (0)
    下列的 
    (0)
    追随者 
    (0)
    喜欢 
    (0)
    团体 
    (0)

© {日期} meloopbd

语

  • 关于
  • 博客
  • 联系我们
  • 开发者
  • 更多的
    • 隐私政策
    • 使用条款
    • 要求退款
    • Data Removal Request
    • Account delete rules
    • Safety Center
    • FAQ (Frequently Asked Questions)
    • Cookie Policy
    • Verification Policy
    • Report Abuse / Report Content
    • Help Center
    • Community Guidelines

取消好友

您确定要取消好友关系吗?

举报该用户

重要的!

您确定要从您的家庭中删除此成员吗?

你戳了 Bankinformation

新成员已成功添加到您的家庭列表中!

裁剪你的头像

avatar

© {日期} meloopbd

  • 家
  • 关于
  • 联系我们
  • 隐私政策
  • 使用条款
  • 要求退款
  • 博客
  • 开发者
  • 更多的
    • Data Removal Request
    • Account delete rules
    • Safety Center
    • FAQ (Frequently Asked Questions)
    • Cookie Policy
    • Verification Policy
    • Report Abuse / Report Content
    • Help Center
    • Community Guidelines
  • 语

© {日期} meloopbd

  • 家
  • 关于
  • 联系我们
  • 隐私政策
  • 使用条款
  • 要求退款
  • 博客
  • 开发者
  • 更多的
    • Data Removal Request
    • Account delete rules
    • Safety Center
    • FAQ (Frequently Asked Questions)
    • Cookie Policy
    • Verification Policy
    • Report Abuse / Report Content
    • Help Center
    • Community Guidelines
  • 语

评论报告成功。

帖子已成功添加到您的时间线!

您已达到 5000 个好友的上限!

文件大小错误:文件超出允许的限制(9 GB),无法上传。

您的视频正在处理中,我们会在可以观看时通知您。

无法上传文件:不支持此文件类型。

我们在您上传的图片中检测到一些成人内容,因此我们拒绝了您的上传过程。

在群组中分享帖子

分享到页面

分享给用户

您的帖子已提交,我们将尽快审核您的内容。

要上传图片、视频和音频文件,您必须升级为专业会员。 升级到专业版

编辑报价

0%

添加层








选择一张图片
删除您的等级
确定要删除此层吗?

评论

钱包支付

删除您的地址

您确定要删除此地址吗?

付款提醒

您即将购买商品,是否要继续?
要求退款

语

  • Arabic
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese